ছেলে- ওই মেয়ে তুই বিয়ে করবি,কি করে! তুই না অামার বৌ ছিলি।
মেয়ে- তোমার কি মাথা নষ্ট। আমি কবে তোমার বৌ ছিলাম?
ছেলে- কেন, ভুলে গেছিস? ছোটবেলায় কত্ত গাছের পাতা হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলতি, যাও বাজার করে অানো রান্না করবো। কত্ত বাজার করেছি তোর জন্য। তুই সেই কথা ভুলে গেলি?
মেয়ে- হায়রে ,পাগল ছোটবেলার কথা এখনো ধরে বসে অাছো?
ছেলে - কেন ধরবো না বল? দেবো (এবার কানে ধরে দিলাম এক টান )
মেয়ে- উহ্। তুমি না বদ ছেলে। এমন বদ ছেলের বউ অামি
হইবো না বুঝলা।
মেয়ে- তোমার কি মাথা নষ্ট। আমি কবে তোমার বৌ ছিলাম?
ছেলে- কেন, ভুলে গেছিস? ছোটবেলায় কত্ত গাছের পাতা হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলতি, যাও বাজার করে অানো রান্না করবো। কত্ত বাজার করেছি তোর জন্য। তুই সেই কথা ভুলে গেলি?
মেয়ে- হায়রে ,পাগল ছোটবেলার কথা এখনো ধরে বসে অাছো?
ছেলে - কেন ধরবো না বল? দেবো (এবার কানে ধরে দিলাম এক টান )
মেয়ে- উহ্। তুমি না বদ ছেলে। এমন বদ ছেলের বউ অামি
হইবো না বুঝলা।
ছেলে- অামার বউ না হলে তকে বিয়ে করবে কে শুনি ,শাকচুন্নী!
মেয়ে- হাহাহা,, ঠাকুরমার ঝুলি তাই না? তোমার এখনো মনে অাছে কার্টুনগুলো?
ছেলে- আমার মন কি তোর মত ভোলা মন নাকি । জি সব মনে অাছে আমার। স্কু্লে যাওয়ার সময় তোকে একবার ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে ছিলাম। হা হা
মেয়ে- হ্যাঁ জল্লাদ ছিলে তুমি।
ছেলে- অাচ্ছা, তুই এখানে আসছিলে কেন?
মেয়ে- কেনাকাটা করতে।
ছেলে- কেনাকাটা নাকি কারো সাথে দেখা করতে?
ছেলে- অাচ্ছা, তুই এখানে আসছিলে কেন?
মেয়ে- কেনাকাটা করতে।
ছেলে- কেনাকাটা নাকি কারো সাথে দেখা করতে?
মেয়ে- কি যে বলো তুমি।
ছেলে - পথটা এত ছোট কেন? অার কিছুক্ষণ থাকতাম একসাথে। মাত্র তো অর কিছুদিন দিন। এর পর তো তুই অন্যের বউ হয়ে যাবি।
মেয়ে - ভালবাসো অামাকে তুমি?
ছেলে- নাহ বাসি না। অন্যের বউকে ভালবাসতে যাবো কোন দুঃখে! যা তুই বিয়ে কর। তারপর বাচ্চার মা হ গিয়ে।
মেয়ে- এবার চলো পৌছে গেছি প্রায়। সবাই অপেক্ষা করছে অামার জন্য।
:
ছেলে- চল না পালিয়ে যাই দূরে অচেনা কোনো শহরে?
মেয়ে- সখ কতো। দুদিন পরে বিয়ে আর অাজ তোমার সাথে পালাবো?
ছেলে- ,সুখি হবি না আমি বলে দিলাম হুম। তুই শুধুই অামার বউ ।
শোন, ভালবাসা হলো অারাধনা। সবাই তা করতে পারে না।
সিরিয়াসলি,অামার রক্তক্ষরণ তুই বুঝবিনা। অামার হাতটা একটু ধরবি?
মেয়ে- হা ধরলাম। কি হবে হাত ধরলে?
ছেলে- একটা মহাকাব্য , ইতিহাস ও হতে পারে? একবার দিবি তোকে জড়িয়ে ধরে কাঁদাতে?
:
ঠিক সন্ধ্যায় মেয়েটি হসপিটালে তার এক পা বেন্ডিস করা। ব্যাথায় গোংঙ্গাছে। একটু ঠিক হতেই মনে পড়লো ওদের গাড়ী একসিডেন্ট করেছিলো। ,হাউ ,মাউ করে কেঁদে ওঠলো মেয়েটি।
মেয়েটি হসপিটালে গিয়ে দেখলো ছেলেটি মারা গেছে ,মেয়েটি কথা বলতে পারছিল না শুধু ২ চুখ দিয়ে পানি পরছিল আর বিরবির করে বলতেছিলো,তোমার প্রতি অামার বড্ড অভিমান।অামাকে তো নিতে পারতে সাথে।
তুমি একা কেন পালালে?অাজ ছেলেটির এর ১ ম মৃত্যুবার্ষিকী,এ্যাকসিডেন্টের পরে মেয়েটির সঙ্গি একটা হুইল চেয়ার। মাঝে মাঝে বিকল পা' টায় হাত বুলিয়ে বলে,- তোমাকে মনে করার জন্য এর চেয়ে বড় উপহার আর কিছুই হতে পারেনা। ভালই হয়েছে ভালবেসে সাথে তো অাছো ...।তুমি আমার হৃদয়ে আছো, মনে আছো, অনুভবে আছো, এমন কি রক্তেও মিশে আছো, আসলে সত্যি কার ভালবাসা গুলো এমনি হয় । পৃথিবী তে কারও আপন হওয়াটা খুব সহজ! মেয়ে- এবার চলো পৌছে গেছি প্রায়। সবাই অপেক্ষা করছে অামার জন্য।
:
ছেলে- চল না পালিয়ে যাই দূরে অচেনা কোনো শহরে?
মেয়ে- সখ কতো। দুদিন পরে বিয়ে আর অাজ তোমার সাথে পালাবো?
ছেলে- ,সুখি হবি না আমি বলে দিলাম হুম। তুই শুধুই অামার বউ ।
শোন, ভালবাসা হলো অারাধনা। সবাই তা করতে পারে না।
সিরিয়াসলি,অামার রক্তক্ষরণ তুই বুঝবিনা। অামার হাতটা একটু ধরবি?
মেয়ে- হা ধরলাম। কি হবে হাত ধরলে?
ছেলে- একটা মহাকাব্য , ইতিহাস ও হতে পারে? একবার দিবি তোকে জড়িয়ে ধরে কাঁদাতে?
:
ঠিক সন্ধ্যায় মেয়েটি হসপিটালে তার এক পা বেন্ডিস করা। ব্যাথায় গোংঙ্গাছে। একটু ঠিক হতেই মনে পড়লো ওদের গাড়ী একসিডেন্ট করেছিলো। ,হাউ ,মাউ করে কেঁদে ওঠলো মেয়েটি।
মেয়েটি হসপিটালে গিয়ে দেখলো ছেলেটি মারা গেছে ,মেয়েটি কথা বলতে পারছিল না শুধু ২ চুখ দিয়ে পানি পরছিল আর বিরবির করে বলতেছিলো,তোমার প্রতি অামার বড্ড অভিমান।অামাকে তো নিতে পারতে সাথে।
writer&post by: admin real tangail
